কাদা থেকে কৌশলে বাইম মাছ ধরে নিল যুবক, বাইম মাছ ধরার এমন অভিনব পদ্ধতি ভিডিও ভাইরাল

বাইম মাছে ক্যালোরির(Calories) পরিমাণ কম থাকায় যাদের অতিরিক্ত মেদ রয়েছে, তারা নিয়মিত এই মাছ খেতে পারেন। এ মাছের তেলে থাকা ওমেগা থ্রি নামক অ’সম্পৃক্ত ফ্যা’টি অ্যাসিড(Fatty acids), যা র’ক্তের ক্ষ’তিকারক।

কোলেস্টেরল এলডিএল ওভিএলডিএল কমায় এবং উপকারী কোলেস্টেরল এইচডিএলের পরিমাণ বাড়িয়ে দেয়, ফলে হৃদযন্ত্রে চর্বি(Fat) জমতে পারে না। আমেরিকার স্কুল অব নিউট্রিশনের জার্নাল অনুযায়ী, এই মাছ উচ্চ র’ক্তচাপের ঝুঁকি কমায় এবং উচ্চ র’ক্তচাপ(High blood pressure) থাকলে তা কমাতেও সাহায্য করে।

ন্যাশনাল সেন্টার ফর বায়োলজিকাল ইনফর্মেশনের তথ্যানুযায়ী, ওমেগা থ্রি র’ক্তের অণুচক্রিকাকে জমাট বাঁধতে দেয় না, ফলে র’ক্তনালিতে জমাট বাঁধার কারণে স্ট্রোক(Stroke) ‘হতে পারে না।

স্ট্রোক প্রতিরোধে রুই মাছের ভূমিকার কথা উল্লেখ রয়েছে বেশ কয়েকটি গবেষণাপত্রেও।পু’ষ্টিবিদদের মতে, ভাল মানের প্রোটিনের অন্যতম উৎস এই মাছ(Fish) বাইম, গু’চি মাছ বাইম মাছের পু’ষ্টিগু’নঃ

ভিটামিন(Vitamins) এ, ডি, ই রয়েছে বাইম মাছে। ক্যালসিয়াম, জিঙ্ক, সোডিয়াম(Sodium), পটাসিয়াম, আয়রন ও খনিজে ভরপুর এই মাছ। পু’ষ্টিবিদদের মত, “বাইম মাছে কোলিন নামের একটি পদার্থ থাকে। প্রয়োজনীয় এই পু’ষ্টি(Nutrition) সম্প্রতি আবি’ষ্কার হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ আপনি কি ভাবছেন, শুধু মানুষই মানুষের উপকার পাওয়ার পরে তাকে কৃতজ্ঞতা জানাতে পারে, একদমই নয়। বরঞ্চ মানুষের মধ্যে দিনকে দিন ধরেই এই কৃতজ্ঞতা জানানোর ইচ্ছাটুকু আস্তে আস্তে কমে যাচ্ছে।

মানুষ ভুলে যাচ্ছে যে মানুষকে কেউ কোন দিন সাহায্য করেছিল সে যাই হোক অন্য তর্কের প্রসঙ্গ চলে আসছি, কিন্তু সম্প্রতি একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে যেখানে দেখা যাচ্ছে, এক বনদফতরের অফিসার সে হাতিকে প্রানে বাঁচিয়েছে।

আর সেই হাতির ছানা এই কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছে তার শুঁড় দিয়ে বনকর্মীর পা জড়িয়ে ধরেছে। অবলা প্রাণী অদ্ভুতভাবে কৃতজ্ঞতা স্বীকার এর ছবি ভাইরাল ‘হতে বেশিক্ষণ সময় লাগেনি। ছোট হাতি তার মা এবং দলবদলের থেকে আলাদা হয়ে গিয়েছিল।

সেই অবস্থাতেই এক বনদফতরের কর্মী এই হাতির ছানাকে উ’দ্ধার করে একাকীত্ব কাটিয়ে উঠতে না উঠতেই হাতির ছানা বেশ যখন চনমনে হয়ে উঠেছে। তাকে যখন তার দলে ফিরিয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা করছেন।

এই বনদ’প্ত র এর কর্মীরা ঠিক সময়ে ঠিক এই সময় হাতির শুঁড় দিয়ে বনদ’প্ত রের সেই কর্মীর পা জড়িয়ে ধরে কৃতজ্ঞতা জানাতে একেবারে ভোলেনি। সেই হাতিকে খুব তাড়াতাড়ি দলে ফিরিয়ে দেওয়ার চে’ষ্টা চালানো হচ্ছে।

কারণ এই হাতির গায়ে যদি মানুষের গন্ধ বেশি দিন থাকে, তাহলে তাকে দলে আর ফিরিয়ে নিয়ে নেওয়া হবেনা এমনটাই হাতিদের চরিত্র। আই এফ এস অফিসার পারভীন পাসোয়ান তিনি সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে এই অ’সাধারণ ভিডিওটি দিয়েছেন এবং এই

ভিডিওটি দেওয়ার আগে তিনি ক্যাপশন লিখে দিয়েছেন, ‘ভালোবাসার কোন ভাষা হয় না। এক বন কর্মীকে শুঁ দিয়ে আলিঙ্গন করে কাছে ডেকে নিচ্ছে হাতের ছানা।