কাবিলার কান্না দেখে জেলে থাকা আসামিরাও কেঁদেছে!

বর্তমান সময়ের তুমুল জনপ্রিয় ধারাবাহিক নাটক ‘ব্যাচেলর পয়েন্ট’। কাজল আরেফিন অমি পরিচালিত এ ধারাবাহিকটির কাবিলা, শুভ, হাবু ভাই, পাশা ভাই নামের চরিত্রগুলোও যেনো দর্শকদের কাছে জীবন্ত হয়ে উঠেছে।

মঙ্গলবার (১৩ এপ্রিল) শেষ হয়েছে নাটকটির তৃতীয় সিজন। শেষ পর্বে ঘটনাক্রমে পুলিশের হাতে ধরা পড়েছে কাবিলা। তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এদিকে কাবিলার এ পরিণতি মেনে নিতে পারছেন না ‘ব্যাচেলর
পয়েন্ট’ নাটকের ভক্তরা।

তাদেরকে কিছুটা আশাহত হতে দেখা গেছে। ‘বাংলা নাটক’ এবং ‘ব্যাচেলর পয়েন্ট’ নাটকের গ্রুপে কাবিলার মুক্তির দাবি করেছেন নেটাগরিকরা।এদিকে জেলের দৃশ্যে শুটিংয়ের অভিজ্ঞতা শেয়ার করে কাবিলা খ্যাত জিয়াউল

হক পলাশ বলেন, ‘ধানমন্ডি থানার জেলের মধ্যে শেষ দৃশ্যের শুটিং করেছিলাম। অমি ভাই শুধু বলেছিল, পলাশ এটা শেষ দৃশ্য। এরপর ওই দৃশ্যে খুব কান্না করেছিলাম। আমার মতো মিশু ভাইয়েরও একই অবস্থা

ছিল। আমাদের অবস্থা দেখে থানার পুলিশ, জেলে থাকা আসামিরাও কেঁদেছে। এগুলো আমি কখনই ভুলতে পারবো না।’নাটকটির পরিচালক কাজল আরেফিন অমি বলেন, ‘শেষ পর্ব প্রচারের পর দর্শকের ফোনের কারণে

টিকতে পারছি না। এটাও ভালোবাসা। আমার কাছে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ ছিল তিনটি সিজনে দর্শককে ধরে রাখা। সে জায়গাটি করতে পেরেছি। আলহামদুলিল্লাহ।’ তিন সিজনের জনপ্রিয়তা দর্শকের মধ্যে প্রাণবন্ত রাখতে

চতুর্থ সিজন আসবে কিনা সে প্রসঙ্গে নির্মাতা জানান, ‘জানি না সিজন ফোর করব কি না। তবে এইটুকু নিশ্চিত করে বলছি- যদি জীবিত থাকি এবং সুস্থ থাকি তাহলে কখনো না কখনো,

কোন না কোন মাধ্যমে আপনাদের সামনে অবশ্যই তুলে ধরব, কেমন আছে আপনাদের প্রিয় চরিত্রগুলো। ভালবাসা ও কৃতজ্ঞতা আপনাদের প্রতি। সবাই ভুলে গেলেও আমি হয়ত কখনোই ভুলব না আমার প্রিয় চরিত্রগুলোকে।