বাবাকে ডাক্তারের কাছে নেওয়ার পথে ট্রেনের ধা’ক্কায় প্রা’ণ গেল২ ভাইয়ের

বাবাকে ঢাকায় ডাক্তারের কাছে নেওয়ার পথে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জে ট্রেনের ধাক্কায় সিএনজিচালিত অটোরিকশার যাত্রী দুই ভাই নি`হত হয়েছেন।রোববার ভোরে উপজেলার তালশহর ইউনিয়নের বাজার এলাকায় ঢাকা-চট্টগ্রাম-সিলেট রেলপথে এ দু`র্ঘটনা ঘটে।

নি`হতরা হলেন- সদর উপজেলার নাটাই ইউনিয়নের রাজঘর গ্রামের মো. সাদেক মিয়ার দুই ছেলে মো. পাভেল মিয়া (৩৪) ও মো. রুবেল মিয়া (২২) দুর্ঘ`টনায় নি`হতদের বাবা সাদেক মিয়া ও একই এলাকার তলিয়া গ্রামের সিএনজিচালক মো. সিরু মিয়া গু`রুতর আ`হত হয়েছেন।

পু`লিশ দুইজনের মৃ`তদেহ উদ্ধার করে জেলা সদর হাসপাতালে পাঠিয়েছে। এ ঘটনায় রেলওয়ে থানায় একটি মা`মলার প্রস্তুতি চলছে। রেলওয়ে পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বাবার চিকিৎসার জন্য আশুগঞ্জ রেলস্টেশন থেকে তিতাস কমিউটার ট্রেনে ঢাকা যেতে বাড়ি থেকে সিএনজি নিয়ে রওনা হন দুই ভাই।

ভোর পৌনে ৫টার দিকে ঢাকাগামী চট্টলা ট্রেনটি আশুগঞ্জ উপজেলার তালশহর বাজার এলাকা অ`তিক্রম করার সময় সিএনজিচালক দ্রুত ট্রেনের সামনে দিয়ে রেলক্রসিং পার হওয়ার চেষ্টা করছিলেন।এ সময় ট্রেনের ধাক্কায় সিএনজিটি দুমড়েমুচড়ে যায় ও ঘটনাস্থলে পাভেল মারা যান।

পরে গুরুতর আহত অবস্থায় পাভেলের ছোট ভাই রুবেল, তাদের বাবা সাদেক মিয়া ও সিএনজিচালক সিরু মিয়াকে উ`দ্ধার করে জেলাসদর হাসপাতালে নেওয়া হলে হাসপাতালে রুবেল মা`রা যান। আ`হত সাদেক মিয়াকে জেলাসদর হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া

হলেও সিএনজিচালক সিরু মিয়াকে ঢাকায় পাঠানোর প্র`স্তুতি নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছে রেলওয়ে পুলিশ।এ ব্যাপারে ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেলওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ

উপ-পরিদর্শক সালাহ উদ্দিন খান নোমান বলেন, চট্টলা ট্রেনের ধাক্কায় সিএনজির যাত্রী আপন দুই ভাই নিহত হয়েছেন। তাদের বাবা ও সিএনজিচালক আ`হত অবস্থায় চিকিৎসাধীন।

তিনি আরও বলেন, চালকের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাকে ঢাকায় পাঠানো ব্যবস্থা করা হচ্ছে। নি`হ`তদের স্বজনেরা বিনা ময়নাতদন্তে মৃ`তদেহ দাফনের জ`ন্য আবেদন করেছেন।