যেই দেশে আট বছরেও বাড়েনি পেঁয়াজের দাম!

আয়ারল্যান্ডে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের ঊর্ধ্বগতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে কঠোর আইন। ইচ্ছে করলেও কোন ব্যবসায়ী দাম বাড়াতে পারেন না। গত আট বছরেও বাড়েনি পেঁয়াজের দাম। চাল, ডাল, পেঁয়াজ, আলুর মতো নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের ঊর্ধ্বগতির কবলে কখনোই পরে না আয়ারল্যান্ড।পণ্যের গুণগত মান নিশ্চিত করা আর ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল দেশটির ব্যবসায়ীরা। নেই সিন্ডিকেটও। ধরা যাক, প্রবাসী বাঙালিদের রান্নায় অন্যতম অনুষঙ্গ পেঁয়াজের কথা।

আট বছর আগে প্রতি কেজি পেঁয়াজের দাম ছিল ৫৯ সেন্ট।যা বাংলাদেশি মুদ্রায় ৫৯ টাকা। আট বছর পর এখনও দাম সেই ৫৯ সেন্টই রয়ে গেছে। নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের দাম স্থিতিশীল থাকায় খুশি নাগরিকরা। এমনকি উৎসবের দিনগুলোতে পণ্যের দাম আরো কমিয়ে দেয়া হয়। তদারকি এবং ভোক্তা অধিকার আইন শক্তিশালী হওয়ায় অন্য দেশ থেকে মালামাল আনলেও পণ্যের দাম বাড়াতে পারেননা ব্যবসায়ীরা।

আরও পড়ুনঃবাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ইতিহাসে প্রথম মেজর জেনারেল দম্পতি হলেন ওমর হাসান-লিজা চৌধুরী।সম্প্রতি মেজর জেনারেল পদে পদোন্নতি পেয়েছেন স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞ বিগ্রেডিয়ার জেনারেল ডা. লিজা চৌধুরী। তিনি শেরেবাংলা চিকিৎসা মহাবিদ্যালয়ের একাদশ ব্যাচের মেধাবী ছাত্রী।লিজা চৌধুরীর স্বামী মেজর জেনারেল ডা. ওমর হাসান একজন মেডিসিন বিশেষজ্ঞ।

আরও পড়ুন=মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ের স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসাশিক্ষার্থীদের এবার উপবৃত্তি দেওয়ার পাশাপাশি টিউশন ফিও দেবে সরকার। এ জন্য শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে আবেদন চেয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। আগামী ১৮ মার্চ থেকে শিক্ষার্থীরা আবেদন করতে পারবেন। সমন্বিত উপবৃত্তি কর্মসূচির আওতায় এই সহায়তা দেওয়া হবে।

গত মঙ্গলবার (৮ মার্চ) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষাসহায়তা ট্রাস্ট থেকে এই আবেদন চেয়ে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে।বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড (সাধারণ) এবং বাংলাদেশ মদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের আওতাধীন দেশের সমগ্র এলাকার মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ষষ্ট থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত অধ্যয়নরত আর্থিকভাবে অসচ্ছল শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তি, টিউশন

ফি এবং অন্যান্য সুবিধাদি প্রদানের লক্ষ্যে দেশের সমগ্র এলাকার (মেট্রোপলিটন শহর ও জেলা সদরের পৌর এলাকাসহ) শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সমন্বিত উপবৃত্তি কর্মসূচির আওতাভুক্ত করার জন্য দরখাস্ত আহ্বান করা যাচ্ছে।কারা আবেদন করতে পারবেন-১। সমন্বিত উপবৃত্তি কর্মসূচির আওতাভুক্ত নয় এমন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এ কর্মসূচির অন্তর্ভুক্ত হতে হলে শিক্ষা বোর্ড কর্তৃক পাঠদানের অনুমতি বা স্বীকৃতি থাকতে হবে। সরকারি, বেসরকারি এমপিও বা নন-এমপিও উভয় ধরনের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানই আবেদন করতে পারবে।

২। সমন্বিত উপবৃত্তি কর্মসূচির অন্তর্ভুক্ত হওয়ার জন্য বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ম্যানেজিং কমিটি/গভর্নিং বোডির অনুমোদনের রেজুলেশন, শিক্ষা বোর্ড কর্তৃক অনুমতি বা স্বীকৃতিপত্রের সত্যায়িত ফটোকপি এবং সহযোগিতা চুক্তিপত্র আক্ষরপূর্বক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রধান উপজেলা/থানা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার মাধ্যমে স্কিম পরিচালক বরাবর আগামী ১৮ মার্চের মধ্যে আবেদন করবেন। ম্যানেজিং কমিটি/গভর্নিং বডি না থাকলে

সহযোগিতা চুক্তিপত্রে সভাপতির স্বাক্ষরের স্থলে এবং উপবৃত্তির অন্যান্য কাগজপত্রে (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে) উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (উপজেলার ক্ষেত্রে) এবং মেট্রোপলিটান এলাকার ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট জেলা শিক্ষা অফিসার স্বাক্ষর করবেন। সহযোগিতা চুক্তিপত্রের নমুনা কপি উপজেলা/থানা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার দফতরে অথবা মাউশি এবং প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষাসহায়তা ট্রাস্টের ওয়েবসাইটে পাওয়া যাবে।