রিয়াজের কন্যার মুখ দেখতে গিয়েছিলেন একসঙ্গে তিন কন্যা

ববিতার হাত ধরে চলচ্চিত্রে এসেছিলেন রিয়াজ। সম্পর্কে তারা চাচাতো ভাই-বোন। জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার বিজয়ী এ অভিনেতা ২০০৭ সালে বিয়ে করেন মডেল-অভিনেত্রী তিনাকে।

এ বছর ২ মে কন্যাসন্তানের বাবা-মা হয়েছেন তারা। প্রথমবার রিয়াজের কন্যার মুখ দেখতে একসঙ্গে বাসায় হাজির হন ‘তিন কন্যা’ বিখ্যাত সুচন্দা, ববিতা ও চম্পা। এসময় তাদের মাঝে এক আনন্দঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়। জানা গেছে, তারা রিয়াজের বাসায় দীর্ঘ সময় কাটান।

যে কারণে ছবিটির শেষ দৃশ্য ছেলেমেয়েদের দেখাননি শাহরুখ : কাল হো না হো’ সিনেমাটির শেষ দৃশ্যটার কথা এখনো মনে পড়ে। সিনেমাটি এখনো দেখতে বসলে চোখের কোণ বেয়ে পানি পড়তে থাকে। হাসপাতালের বেডে শুয়ে মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করছেন শাহরুখ।

সেখানে অবশ্য তার চরিত্রের নাম ছিল অমন মাথুর। শেষ পর্যন্ত মৃত্যুর কাছে হার মানতে হয় তাকে। কিন্তু ছবির এই ক্লাইম্যাক্সের কথা জানেন না শাহরুখের ছেলেমেয়েরা। এসআরকে জানিয়েছেন, আমার ছেলেমেয়েদের ছবির শেষটা দেখতে দেওয়া হয়নি।

তাদের জন্য অন্যরকমভাবে এডিট করা হয়েছিল ছবির শেষ দৃশ্যটি। নিখিল আডবাণী পরিচালিত ছবিটি প্রযোজনা করেছিলেন করণ জোহর। কাহিনীর চিত্রনাট্যও তারই লেখা। কিন্তু শাহরুখের ছেলেমেয়েদের জন্য ছবির শেষটা বিশেষভাবে নির্মাণ করেন তিনি।

সম্প্রতি শাহরুখের এক অনুরাগী ট্যুইটারে একটি ভিডিও শেয়ার করেছেন। তাতে দেখা যাচ্ছে, ‘কাল হো না হো’-র শেষ দৃশ্যটি দেখে কেঁদে ভাসাচ্ছে এক ক্ষুদে। শাহরুখের মৃত্যুর দৃশ্য কিছুতেই মেনে নিতে পারেনি মেয়েটি। এই প্রেক্ষিতেই শাহরুখ জানান, তার ছেলেমেয়েদেরও দৃশ্যটি দেখতে দেননি তিনি।

প্রসঙ্গত, গতবছর ‘কাল হো না হো’-র প্রতি বিশেষ নিবেদন হিসেবে একটি ৮ মিনিটের ভিডিও প্রকাশ করেছিল জার্মান দূতাবাস। সেখানে সাইফ আলি খানের চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন প্রাক্তন বিদেশ বিষয়ক মন্ত্রী সালমান খুরশিদ।