৪০ বছরেও যোগ্য বর না পাওয়ার কষ্টে পপি

ঢাকাই সিনেমার জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা সাদিকা পারভীন পপি। কুলি ছবির মধ্য দিয়ে আত্মপ্রকাশ করেন তিনি। এরপর দুই দশকের ক্যারিয়ারে অসংখ্য সুপার-ডুপারহিট সিনেমা উপহার দেন তিনি। পেয়েছেন একাধিকবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার।

ক্যারিয়ারে বহু প্রাপ্তি থাকলে এখন পর্যন্ত এই নায়িকা ব্যক্তি জীবনে একাই রয়েছেন। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সময় এন্টারটেইনমেন্টের কাছে একান্ত সাক্ষাৎকারে ব্যক্তি জীবন নিয়ে খোলামেলা কথা বলেছেন এ অভিনেত্রী।পপি বলেন, ‘দেখতে দেখতে অনেক সময় চলে গেল।

চলচ্চিত্র ক্যারিয়ারে অনেক নাম কামিয়েছি। দর্শকরা আমাকে ভালোবাসেন। তাদের ভালোবাসায় আমি ‘চিত্রনায়িকা পপি’ হয়েছি। তবে চলচ্চিত্রের বাইরেও আমার একটা পরিবার আছে। সেই পরিবারের বাবা-মা ভাইবোন রয়েছে।

কিন্তু এর বাইরেও নিজের জীবন বলে একটা কথা আছে। আমিও কাউকে নিয়ে জীবন শুরু করতে চাই। তবে মনের মতো মানুষ আর যোগ্য ব্যক্তি না পাওয়ার কারণে এখনো বিয়ে করা হয়ে ওঠেনি।’

আপনার নামে সাথে জায়েদ খানের নাম জড়িয়ে গুঞ্জন রয়েছে। এ প্রসঙ্গে কী বলবেন? এমন প্রশ্নে পপি বলেন, চলচ্চিত্রে একই পরিবারের সদস্য আমরা। আমাদের গণ্ডি এক জাগায়তেই। কাজ করতে গিয়ে প্রত্যেকের সঙ্গে যোগাযোগ থাকে।

সেই জায়গা থেকে মানুষ অকারণে গসিপ তৈরি করে সেটা আমাদের ক্যারিয়ারের জন্য হু’মকি। আমি প্রত্যেকের কাছে অনুরোধ করব অযোগ্য ব্যক্তির সঙ্গে আমাকে জড়িয়ে আমার ক্ষতি করবেন না। তার সঙ্গে আমার কোনো ব্যক্তিগত সম্পর্ক ছিল না।

যেটুকু ছিল সেটুকু হচ্ছে প্রফেশনাল। একি সোনার আলোয় জীবন ভরিয়ে দিলে’ গানে কণ্ঠ দেয়া গায়িকার নাম সাবিনা ইয়াসমিন। সৃষ্টিকর্তা উনাকে সুরের ভুবনে সোনার আলোয় জীবন পূর্ণ করে দিয়েছিলেন।

‘শুধু গান গেয়ে পরিচয়’, ‘সে যে কেন এলো না’ কিংবা ‘সব কটা জানালা খুলে দাও না’ ,‘জন্ম আমার ধন্য হলো’ এইরকম অসংখ্য কালজয়ী গানে মোহনীয় কন্ঠ দিয়ে তিনি শ্রোতাদের প্রজন্ম থেকে প্রজন্ম বিমোহিত করে রেখেছেন। শ্রোতাদের ভালোবাসায় পেয়েছেন ‘কোকিলকন্ঠী’ খেতাব। আজ তার জন্মদিন।

জন্মদিন নিয়ে সাবিনা ইয়াসমিন বলেন, এই দিনটি এলেই আব্বা, আম্মা এবং আমার বোনদের খুব মিস করি। কিন্তু তারপর সবার ভালোবাসা পেয়ে আমি সে কষ্ট ভুলে থাকার চেষ্টা করি। দেশ-বিদেশ থেকে অনেকেই শুভেচ্ছা জানান। দিনটিকে বিশেষভাবে উদযাপনের কোনো ইচ্ছা নেই। ঘরেই সময় কাটবে।

জীবন্ত এই কিংবদন্তি কণ্ঠশিল্পী এ দেশের গর্ব। শুধু দেশের গানেই তার যে বিরাট অবদান, তা দিয়েই তিনি এই বাংলার বুকে বেঁচে থাকবেন শত শত বছর। বছরজুড়ে বিভিন্ন সময়ে তার গাওয়া দেশের গান আমাদের পুলকিত করে, অনুপ্রাণিত করে, আন্দোলিত করে। আর দেশের বিভিন্ন জাতীয় দিবসে তার গাওয়া দেশের গানই যেন আগামী দিনে নতুন করে পথ চলার সাহস জোগায়।

দেশের গান ছাড়াও চলচ্চিত্রে হাজার হাজার গান গেয়েছেন তিনি। আর এমনি করেই গানে গানে সাবিনা ইয়াসমিন হয়ে উঠেছেন প্রিয় একজন শিল্পীতে।

প্রয়াত বরেণ্য সুরকার-সংগীত পরিচালক রবিন ঘোষের সংগীত পরিচালনায় এহতেশাম পরিচালিত ‘নতুন সুর’ সিনেমায় ১৯৬২ সালে শিশুশিল্পী হিসেবে প্রথম গান করেন। তবে ১৯৬৭ সালে আমজাদ হোসেন ও নূরুল হক বাচ্চু পরিচালিত ‘আগুন নিয়ে খেলা’ সিনেমায় আলতাফ মাহমুদের সংগীত পরিচালনায় ‘মধু জোছনা দীপালি’ গানটি গাওয়ার মধ্য দিয়ে প্লে-ব্যাক গায়িকা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন।